ফোটো গ্যালারি
... বলিউডে ‘বহিরাগত’

বলিউড আপাতত স্বজনপোষণ-বহিরাগত বিতর্কে উত্তাল। তারকার সন্তান যে তারকাই হবেন তাঁর যেমন কোনও নিশ্চয়তা থাকে না, তেমনই সাধারণ মানুষও নিজ যোগ্যতায় তারকা হয়ে উঠবেন না সে কথায় বা কে বলতে পারে! এই যেমন সুশান্ত সিং রাজপুত। চোখে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে বিহার থেকে আরব সাগরের তীরে পাড়ি দিয়েছিলেন। ধীরে ধীরে সাফল্য পেয়েছেন, আবার কখনও চোখ ভিজে গিয়েছে নোনা জলে। সুশান্তের মতো অনেকেই রয়েছেন যাঁদের বলিউডে কোনও গডফাদার ছিলন না। তাঁরা একাই একশো আজ। কে বলতে পারে, হয় তো সুশান্তও হতে পারতেন তাঁদেরই একজন। যার কাঁধে মাথা রেখে উজার করে দিতে পারতেন মনের কথা, হাতের ওপর হাত রেখে যে মানুষটি বলতে পারতেন, ‘তুমি ঠিক পারবে’! বাস্তবে তেমন মানুষ বোধহয় খুঁজে পাননি পর্দার মহেন্দ্র সিং ধোনি। তবে বহিরাগত হয়েও বলিউড শাসন করছেন বা করেছেন যাঁরা, আজ থাকল সেরকমই কিছু মানুষের কথা।

... নব্বইয়ের নস্টালজিয়া: বি আর চোপড়া’র ‘মহাভারত’

আশির দশকের শেষ আর নব্বইয়ের দশকের শুরু, দূরদর্শনে হঠাৎই ঘটে গিয়েছিল বিপ্লব। সেই বিপ্লবের কান্ডারি ছিলেন পরিচলক বি আর চোপড়া। ১৯৮৮ সালের ২ অক্টোবর সাদা-কালো পর্দায় প্রথমবারের জন্য জীবন্ত হয়ে উঠেছিল বীররসে ভরা মহাকাব্য 'মহাভারত'। ‘যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত, অভুত্থানমধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম, পরিত্রাণায় সাধুনাং বিনাশায় চ দুষ্কৃতম, ধর্মসংস্থাপনার্থয় সম্ভবামি যুগে যুগে’ সেই বোধহয় প্রথম গীতা’র এই বাণীতে মোহিত হয়েছিলেন অনেকেই। আজ এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সেদিনের মহাভারতের কিছু চরিত্রদের যাঁরা যুগ যুগ ধরে মানুষের মনে অমর হয়ে রয়ে গিয়েছেন।

অলি-গলি
আমাদের পছন্দ